Wellcome to National Portal
‘গবেষণা ও উন্নয়নের মাধ্যমে তথ্য প্রযুক্তিতে বাংলা ভাষা সমৃদ্ধকরণ’ প্রকল্প তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ, ডাক, টেলিযোগাযোগ এবং তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৮ মে ২০২২

বাংলা বর্ণ ও কোড-পয়েন্ট প্রমিতকরণ

কম্পিউটারের মাধ্যমে মুদ্রণ ও টাইপের কাজ শুরু হয় আসকি/আনসি ভিত্তিক লেখন-পদ্ধতির মাধ্যমে। ইন্টারনেটমোবাইলফোনে বাংলা ভাষার মতো সকল ভাষা লেখা হয় ইউনিকোডের মাধ্যমে। কিন্তু ইউনিকোডে বাংলা লিখতে গিয়ে কয়েকটি সমস্যা তৈরি হয়েছে। যেমন-

  •  ইউনিকোড পদ্ধতিতে ড়, ঢ়, য়এই তিনটি বাংলা বর্ণ নোকতার মাধ্যমে লেখার কথা বলা রয়েছে। এর কারণ হলো,  ইউনিকোড তৈরি ও ব্যবস্থাপনার আন্তর্জাতিক সংগঠন ইউনিকোড কনসোর্টিয়াম ইউনিকোডে বাংলা ভাষার সাংকেতিক ব্যবস্থা বা কোডসেট প্রথম থেকে প্রস্তাব করেছে ভারতের হিন্দি লিপি দেবনাগরীর অনুকরণে। এ কারণে বর্ণগুলো লিখতে ড, ঢ ও য-এর নিচে নোকতা অর্থাৎ বাড়তি একটা ডট (.) বা ফুটকি দিতে হবে। বাংলাদেশ বিদ্যাসাগরের রীতি অনুসারে এই তিনটি বর্ণকে একক বর্ণ হিসেবে দেখে থাকে। 
  • বাংলা লেখার জন্য ব্যবহারকারীদের স্বাভাবিক অভ্যাস হলোএ-কার, ই-কার, ঈ-কার কখনো বর্ণের আগেকখনো বর্ণের পরে এমন দ্বিধা নিয়ে টাইপ করতে হচ্ছে। 
  • বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত যতিচিহ্ন দাঁড়ির বদলে এসেছে দেবনাগরী বর্ণমালার মোটা ও দীর্ঘ দাঁড়ি। এতে বাংলা ভাষার দ্বৈত দাঁড়ি রাখা হয়নি।
  • বাংলাদেশি টাকার চিহ্নকে অভিহিত করা হয়েছে বেঙ্গলি রুপি হিসেবে। অর্থাত্‌, ইউনিকোডে বাংলা ভাষার প্রকৃত প্রতিফলন ঘটেনি। ফলে বাংলাদেশ মান তৈরি করা প্রয়োজন। যাতে বিদেশি মান তৈরিকারণ সংস্থাগুলো বাংলাদেশের স্থানীয় মানকে অনুসরণ বা পর্যালোচনা করতে পারে
     

কার্যপরিধি:

১. বাংলা কোড পয়েন্টের একটি নিজস্ব তালিকা তৈরি করা।

২. বিশেষ ক্যারেক্টারের ক্ষেত্রে প্রমাণক হিসেবে ঐতিহাসিক নমুনার ছবি যুক্ত করা


Share with :

Facebook Facebook